First Experience of Flight ( প্রথম Flight এ যাওয়ার অভিজ্ঞতা )

নমস্কার বন্ধুরা ,
আমার নাম সৌম্য নায়ক। আমার প্রথম airport এ যাওয়া ও flight ওঠার অভিজ্ঞতা আমি আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আপনারে এখনো অঅব্দি যারা ফ্লাইট এ ওঠেন না , তারা এখানে থেকে যথেষ্ট ইনফরমেশন পাবেন , আশাকরি তাদের উপকার হবে পরবর্তী কালে flight এ যাত্রা কৰাৰ সময়।

FROM  KOKATA  TO BANGALURU :




27th Jan,2020 :  দিনটি ছিল সোমবার তখন দুপুর ১২ বাজে। বাড়ি থেকে বেরিয়েছি ৯ টার সময়।  জীবনের প্রথম Flight  এ যাত্রা। এখন থেকেই রোমাঞ্চ জেগে উঠেছে যে কেমন হবে Flight . কি করতে হয় তার জন্য ? কেমন প্রস্তুতি দরকার আগে থেকে, এই সমস্ত চিন্তা ভাবনা নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিলাম শুধু মাত্রা একটি bag এ ২ সেট করে জামাকাপড় নিয়ে বেঙ্গালুরু এর উদ্দেশ্যে।  যাই হোক প্রথমে আমার বাড়ি তমলুক থেকে বাস এ করে মেচেদা স্টেশন , তারপর ট্রেন এ করে হাওড়া।  হাওড়া তে নেমে AC বাস ধরে একদম এয়ারপোর্ট যাওয়ার পথে বসে আমি। বাস আর মধ্যে তখন চিন্তা করছি যে এয়ারপোর্ট এ কি কি সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। যদিও অনেক বন্ধু বা দাদা দের কাছ থেকে জেনেছিলাম যে কি কি  প্রসেস এর মধ্যে দিয়া ফ্লাইট এ উঠতে হয়। যেমন আমার শুভাকাঙ্খী অমিত প্রধান , অমিত দার  কাছে জেনেছি বোর্ডিং তা আগে কোরিয়া নিতে হবে। বন্ধু সৌরিক সরকার আর কাছে জেনেছি বোর্ডিং আর সময় বললে নাকি জানালার ধারের সিট্ তা পাওয়া যায়।  এই সব চিন্তা তে উদ্বিগ্ন মন ,কারণ আমি ইতি  মধ্যে অনেক টাই late এ আছি. ২ ঘন্টা আগে আমাকে পৌঁছাতে হবে কলকাতা CCU এয়ারপোর্ট এ. বাস এ এক যাত্রীর সাথে আলাপ , তিনি বিহারের অধিবাসী কাজের সূত্রে কলকাতা এসেছেন কথায় কোথায় বললেন ওনার ছেলে নাকি ব্যাঙ্গালুরু তেই থাকে। তখন ভাবছি এমনটাকি সবার সাথেই হয় তুমি যেটা নিয়ে ভাববে সেটার বেপারটাই তোমার কাছে যেন চোখে আঙ্গুল দিয়া দেখিয়া দেবে। মানে বলতে চাইছি যে আমি বেঙ্গালুরু যাচ্ছি আর তার সাথেই আলাপ হলো যার ছেলে ব্যাঙ্গালুরু তে থাকে।  এমনটা কি আপনাদের সাথে হয় ? 
       যাই হোক West Bengal থেকে আমি ও  আর একটি ছেলে রাহুল দুর্গাপুর এর ছেলে যাবো, আমাদের এয়ারপোর্ট এ একই সাথে flight আছে. আমার যেহেতু দেরি হচ্ছে তাই ওকে বলে দিয়েছিলাম যে ওর বোর্ডিং তা করে নিতে। আমি যখন পৌছালাম তখন last দু ঘন্টা হতে আর ৩০ মিনিট বাকি। যথারীতি আমি তাড়াহুড়ো করছিলাম। আগেই অমিত দা বলে দিয়েছিলো যে ডোমেস্টিক প্লেন গুলো এয়ারপোর্ট আর উপরের ফ্লোর দিয়া ছারে।  তাই সোজা উপরেই চলে গেলাম। এবার আমি খুঁজছি যে কোন gate দিয়া ঢুকবো।  যাহোক একটা গেট দিয়া ঢুকলাম ঢুকে আমার INDIGO আর কাউন্টার টা খুঁজতে লাগলাম একটু খোঁজার পরেই পেলাম একটা কাউন্টার। গিয়া বোর্ডিং করবো বলতেই বলে উঠলেন একজন অল্প বয়েসী তন্নী যে এটা টিকেট কাউন্টার অন্য গেট দিয়া ঢুকতে হবে আপনাকে। কি আর করবো প্রথম বারের অভিজ্ঞতা এমন ভুল হতেই পারে তার উপর ভীষণ তাড়াতে আছি. আমি সটান বেরিয়ে গেলাম , এইবার গেট ন. ৩ এ গিয়া লাইন এ দাড়ালাম। আধার কাড  এবং টিকেট বুকিং স্লিপ টি দেখে একজন security কর্মী আমাদের ঢুকতে দিচ্ছিলেন। এরপরে একটু খুঁজতেই ইন্ডিগো আর কাউন্টার পেয়ে গেলাম। সেখানে গিয়া যাবে লাইন দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে বোর্ডিং করলে। না উইন্ডো সিট্ বলার মতো কোনো জায়গায় পেলাম না।  এতক্ষনে টিকেট তা হাতে পেলাম। যাবে এগোলাম সিকিউরিটি চেকিং এর দিকে।  ওখানে দেখি বিশাল বোরো লাইন কিন্তু সুষ্ঠ ভাবে সব কিছু হচ্ছে। আবার লাইন এ দাঁড়ালাম।  আমার সময় যখন এল তখন আমাকে আমার বেল্ট ব্যাগ ঘড়ি মানি ব্যাগ headphone এগুলো খুলে রাখতে হলো। আমার বেগ ও জিনিসপত্র গুলো একটা অটোমেটিক সাইড দিয়া ট্রে আর মধ্যে করে যেতে দিতে হলো এবং আমাকে দু হাত তুলে একজন সিকিউরিটি ম্যান আর সামনে গিয়া দাঁড়াতে হলো, উনি মেটাল ডিটেক্ট দিয়া সর্বাঙ্গ পরীক্ষা করে আমাকে ঢুকতে দিলেন, অন্য সাইড এ যাওয়ার পর আমি আমার ব্যাগ ও বাকি জিনিসপত্র গুলি খুঁজে নিলাম ও যথারীতি টিকেট এ লেখা গেট নো আর দিকে এগোতে লাগলাম। যখন গেট আর সামনে এলাম তখন আর মাত্র ১০ মিনিট বাকি Flight  এ ওঠাতে।  রাহুল বলে ছেলেটির সাথে দেখা হলো , ওখানে বাস রুম তা উসে করতে না করতেই দেখলাম স্ক্রিন এ আমাদের প্লেন তীর টাইম আসে গেছে এবং আবার লাইন করি এ ১০ জন ১০ জন করে ধীরে ধীরে টিকেট চেক করে এয়ারপোর্ট থেকেই ডাইরেক্ট প্লেন এ উঠানো হচ্ছে। চললাম প্লেন আর মধ্যে, গেট আর সামনেই দেখলাম Captain আর air hostess দাঁড়িয়ে আছে।  সবাইকে ওয়েলকাম জানিয়ে তোলা হলো পাবেন আর মধ্যে। সবাই বসার পরপলেন ছাড়ার ১০ মিনিট আগে মানে ৩.১০ আর দিকে এয়ার হোস্টেস সা শুরু করলেন বিপদকালীন প্রশিক্ষণ , মানে কোনো দুর্ঘটনা বসত প্লেন টি যদি জল এ পড়ে তো তখন  আমরা কোনখান টি অক্সিজেন পাবো বা ভেসে থাকার জন্য কোন জিনিসটা সিট্ আর তোলা থেকে বের করবো এবং কেমন ভাবে সেটা ফুল উঠবে এই সমস্ত বেপার।  এগুলো শেষ হওয়ার পরেই শুরু হলো আসল বেপার মানে যেতে জন্য আমি উদ্বিগ্ন হচ্ছিলাম যে প্লেন তা চলা শুরু হলে কেমন লাগেব। আর অপেক্ষা করতে হলো না, ধীরে ধীরে সামনের লাইট গুলি অফ হয় গেলো এবং captain আর নির্দেশ এল যে আবার আমরা রওনা হচ্ছি আমাদের জার্নি হবে প্রায় ২ ঘন্টা ৩০ মিনিট আর। যখন প্লেন টি ধীরে ধীরে নিজের গতি পথ ঠিক করছিলো এবং ধীরে ধীরে লাগছিলো রাস্তার উপর দিয়া তখন মনে হচ্ছিলো যেন কোনো অসমতল রাস্তার উপর দিয়া একটি গাড়ি ধীরে ধীরে এগোচ্ছে। ১ মিনিট পরেই বুঝতে পারলাম প্লেনটি যথেষ্ট জোরেই run way আর উপর দিয়া ছোট শুরু করেছে।
যেহেতু আমি মাঝের সিট্ পায়ে ছিলাম তাই,আমার দিক থেকে window তা দেখতে অসুবিধেই হচ্ছিলো। তও দেখছিলম সমস্ত বাড়ি ঘর, অফিস, আলো রাস্তাঘাট, সব কিছুকে পেছনে ফেলে প্লেন টি আপন গতিতে এগিয়ে চলেছে , যেন থাকতে চায় না আর মাটিতে। আর ৩,৪ মিনিট আর মধ্যেই মনে হতে লাগলো আমার শরীর টা  যেন কেমন একটা করছে। বুঝলাম আমরা আর মাটিতে নেই প্লেন তা তখন শুনে উড়ছে। এটি সামান্য কিন্তু বুঝতে পারছিলাম যে প্লেন তা উচ্ছতার মধ্যে উপ ডাউন করছে আবনং ঘুরছে। আমিও ভাবে হয়তো ৩ মিনিট গেলো, নিচে তখন দেখা যাচ্ছে ভিক্টোরিয়ার চূড়া, এসপ্ল্যানেড আর বিল্ডিং ও বোরো বোরো বাড়ি গুলো ক্রমশ ছোট হয় আসছে। বেশ আর একটু পরেই একদম স্থির হয় গেলো প্লেন।  কিছুই ওর অনুভব হচ্ছিলো না তখন।  সমস্ত এল জলে গেলো সুবিধা মতো সবাই উঠে বাস রম উসে করতে শুরু করলেন। এয়ার হোস্টেস রা মেনু কার্ড আর অর্ডার মতো ফুড ডেলিভারি দিতে লাগলেন। এ যেন অদ্ভুত বেপার নিচের দিকে তাকালাম দেখকলাম কোথায় নিচে, কিছুই নাই, উপরে সূর্য রশ্মি চোখে লাগছিলো, যেন মনে হচ্ছিলো সামনের একটা গোল বোরো নীল বস্তুর উপরে আমরা স্থির ভাবে ভেসে আছি, এ এক অদ্ভুত দৃশ্য। এরই মধ্যে বসে সবার যেন চড়ুইভাতির মতো আকাশে আকাশভাতি চলছে। আকাশ এ আছি তাই খাওয়ার আর দাম আকাশ ছোঁয়া । যেমন এক কাপ চা 100 টাকা বা একটা 30 টাকার Maggie দাম 250 টাকা । এদিক ওদিক করে প্রায়  2 ঘণ্টা এভাবে চললো,  মাঝে ক্যাপ্টেন ২ বার বললেন weather  কেমন আছে বেঙ্গালুরু আর, আমরা কতটা height এ আছি এই সব বেপার। ২ ঘন্টা ১০ মিনিট পর দেখা গেলো  Kempegowda International Airport Bengaluru.
Bangalore Airport
এইবার নামবার পালা। আবার প্লেন এর  সব  আলো গুলো বন্ধ  করে দিলো শুধু রিডিং আর জন্য  পার্সোনাল লাইট ব্যবহার করা যাবে। সিট্ বেল্ট বেঁধে নিতে হলো।  সামনের ট্ৰে গুটিয়ে নিতে হলো। আমাদের প্লেন টি কয়েকবার  হয়ে আকাশে  চক্কর কাটতে লাগলো, একটু পরেই মনে হলো  শরীর টা  কেমন যেন হালকা অনুভব হচ্ছে।খুব অল্প অল্প করেই উচ্চতা টা কমতে লাগলো  পারলাম। দেখা যেতে লাগলো একটু ছোট্ট টিলার মতো পাহাড়, ব্যাঙ্গালুরু তে। ঠিক বিকেল ৫.৩৫ মিনিট এ প্লেন টি ল্যান্ড করলো।  অল্প একটা ঝাকুনি অনুভব হলো কিন্তু এমন কিছু না. এরপর ভীষণ গতিবেগ এগোতে থাকলো সামনের দিকে। এত স্পিড থাকা সত্ত্বেও কয়েক সিসি আর মধ্যেই প্লেইন টি দাঁড়িয়ে গেলো। যখন মাঝ আকাশে ছিলাম মাঝে মাঝেই কান টা বন্ধ হয় যাচ্ছিলো। এখনো যেন বন্ধ আছে মনে হচ্ছে। ধীরে ধীরে সবাইকে প্লেন থেকে নামালো। সামনেই ইন্ডিগো আর বাস বইটি করছিলো যাত্রীদের নিয়ে যাওয়ার জন্য, উঠে পড়লাম দুজনে, প্রায় ৪-৫ মিনিট লাগলড়ুন ওয়ে থেকে এয়ারপোর্ট আর গেট এ পৌঁছাতে। বাস থেকে নেমেছি যখন সন্ধে হয় গেছে , এয়ারপোর্ট আলোতে উজ্জ্বল তখন. বাইরে বেরোনোর গেট খুঁজে বাস স্ট্যান্ড এ গিিয়ে বাস এ চড়ে বসলাম আমার গন্তব্য স্থল আর উদ্দেশ্য। এই দিনটি সারা জীবন আমার মনে থাকবে , কারণ এই প্লেন এ চাপার অভিজ্ঞতা আমি কোনো দিন ভুলবো না। 
One passenger Charlie and me














Comments

  1. Wahh... It's a hugr experience fr u..😄

    ReplyDelete
  2. My first and solo flight was from kolkata to Bengaluru too :) your piece is very well writte.

    ReplyDelete

Post a Comment